কারো মন ভাঙ্গা প্রসঙ্গে মোহাম্মাদ সাঃ যা বলেছেন।
একদিন হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) বিবি আয়েশা (রাঃ) কে ঢেকে জিজ্ঞেস করলেন, -----হে আয়েশা, আজকে আমি অনেক খুশি, তুমি আমার কাছে যা চাইবে তাই দেব, বল তুমি কি চাও? হযরত আয়েশা (রাঃ) চিন্তায় পড়ে গেলেন, হঠাৎ করে তিনি এমন কি চাইবেন, আর যা মন চায় তা তো চাইতে পারেন না! যদি কোন ভুল কিছু চেয়ে বসেন, নবীজী যদি কষ্ট পেয়ে যান? এমন অনেক প্রশ্নই মনে জাগতে লাগলো! আয়েশা (রাঃ) নবীজী কে বললেন, আমি কি কারো কাছ থেকে কিছু পরামর্শ নিতে পারি? নবীজী বললেন, ঠিক আছে তুমি পরামর্শ নিয়েই আমার কাছে চাও।
আয়েশা (রাঃ) হযরত আবুবকর (রাঃ) এর কাছে পরামর্শ চাইলেন। আবুবকর (রাঃ) বললেন, যখন কিছু চাইবেই, তাহলে তুমি মুহাম্মাদ (সাঃ) এর কাছে, মিরাজের রাতে আল্লাহ পাক রাব্বুল আ'লামীন এর সাথে হইছে এমন কোন সিক্রেট কথা জানতে চাও। আর কথা দাও নবীজী যা বলবেন তা সর্বপ্রথম আমাকে জানাবে।
আয়েশা (রাঃ) নবীজী (সাঃ) এর কাছে গিয়ে মিরাজের রাতের কোন এক গোপন কথা জানতে চাইলেন, যা এখনও কাউকে বলেন নি। মুহাম্মাদ (সাঃ) মুচকি হেসে দিলেন, বললেন https://youtu.be/wnWlxX3hqM4
বিস্তারিত ভিডিওতে দেখুন।
বলে দিলে আর গোপন থাকে কি করে! একমাত্র আবুবকর ই পারেনন এমন বিচক্ষণ প্রশ্ন করতে। মুহাম্মাদ (সাঃ) বলতে লাগলেন, হে আয়েশা আল্লাহ আমাকে মিরাজের রাতে বলেছেন, "হে মুহাম্মাদ (সাঃ) তোমার উম্মাতের মধ্যে যদি কেউ, কারো ভাংঙা যাওয়া মন জোড়া লাগিয়ে দেয় তাহলে আমি তাহাকে বিনা হিসাবে জান্নাতে পৌঁছে দেব। সুবাহানাল্লাহ।
প্রতুশ্রুতি মত, আয়েশা (রাঃ) ইনার আব্বু হযরত আবুবকর (রাঃ) এর কাছে এসে নবীজীর বলে দেওয়া এই কথাগুলো বললেন। শুনে আবুবকর (রাঃ) কাঁদতে শুরু করলেন। আয়েশা (রাঃ) আশ্চর্য হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, আব্বু আপনি তো কত ভাংঙা যাওয়া মন জোড়া লাগিয়েছেন, আপনার তো সোজা জান্নাতে যাওয়ার কথা কাঁদছেন কেন? আবুবকর (রাঃ) বললেন, আয়েশা এই কথাটার উল্টা চিন্তা করে দেখো, কারো ভাংগা মন জোড়া লাগালে যেমন আল্লাহ সোজা জান্নাতে দিবেন, কারো মন ভাংঙলে ও আল্লাহ যদি সোজা জাহান্নামে দিয়ে দেন, আমি না জানি নিজের অজান্তে কতজনের মন ভেংঙেছি। আল্লাহ যদি আমাকে জাহান্নামে দিয়ে দেন, সেই চিন্তায় আমি কাদতেছি। সুবাহানাল্লাহ। (বুখারি শরিফ)
আল্লাহ সবাইকে হাদিসটি বোঝার ও আমল করার তৌফিক দিক এবং যারা কার মন ভেঙ্গেছে আল্লাহ তাদের সবাইকে যেন মাফ করে দিয়ে জান্নাত নসিব করুক (আমিন)
ফজরের নামাজ মানে আত্মা ও দেহের শান্তি! প্রতিদিনের ন্যায় আজও ফজরের নামাজ পড়ে, বাসা থেকে বাহিরে বের হলাম। সকালের ঠান্ডা-হিমেইল বাতাস দেহ এবং মনকে ছুয়ে গেলো,এ যেন অনন্য এক তৃপ্তি। ভোরের পাখিদের কিচির-মিচির শব্দ, গাছের পাতা ও ঘাস থেকে শিশির বিন্দু ঝড়ে পড়া অদ্ভুত এক প্রাকৃতিক দৃশ্যের মেলা বসেছে। ঠিক বলতে পারেন, ঢাকা শহরে এত গাছ ও ঘাস কোত্থেকে এলো? আসল কথা হচ্ছে আমাদের বাসা এবং মাদরাসার পাশে একটা সরকারি কোয়াটার আছে । যেখানে সরকারি চাকুরীজীবিরা থাকেন, মনে হয় যেন পুরো কোয়াটারটা একটা গ্রাম। তাই লেখার মধ্যে গ্রামীণ পরিবেশ তুলে দরলাম। আচ্ছা যাই হোক! এভাবে চলতে চলতে আনমনে ভাবতে লাগলাম। এখন যদি আমার পড়াকৃত বইয়ের বাকী অংশটুকু পড়লে বইটা তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যাবে। তাই আর দেরী না করেই বইয়ের PDF File ওপেন করে নিলাম। আর সার্চ অপশনে ক্লিক করেই, বইয়ের পেইজ নম্বর দিয়ে সার্চ করলাম। সাথে সাথে চলে আসলো আমার কাঙ্ক্ষিত পড়া। পাড়া শুরু করে দিলাম। কেন নারীরা পুরুষদের তুলনায় অধিকহারে জাহান্নামে যাবে? হাদীসে এ সম্পর্কে এসেছে: আব্দুল্লাহ ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল...

Comments
Post a Comment