ফজরের নামাজ মানে আত্মা ও দেহের শান্তি! প্রতিদিনের ন্যায় আজও ফজরের নামাজ পড়ে, বাসা থেকে বাহিরে বের হলাম। সকালের ঠান্ডা-হিমেইল বাতাস দেহ এবং মনকে ছুয়ে গেলো,এ যেন অনন্য এক তৃপ্তি। ভোরের পাখিদের কিচির-মিচির শব্দ, গাছের পাতা ও ঘাস থেকে শিশির বিন্দু ঝড়ে পড়া অদ্ভুত এক প্রাকৃতিক দৃশ্যের মেলা বসেছে। ঠিক বলতে পারেন, ঢাকা শহরে এত গাছ ও ঘাস কোত্থেকে এলো? আসল কথা হচ্ছে আমাদের বাসা এবং মাদরাসার পাশে একটা সরকারি কোয়াটার আছে । যেখানে সরকারি চাকুরীজীবিরা থাকেন, মনে হয় যেন পুরো কোয়াটারটা একটা গ্রাম। তাই লেখার মধ্যে গ্রামীণ পরিবেশ তুলে দরলাম। আচ্ছা যাই হোক! এভাবে চলতে চলতে আনমনে ভাবতে লাগলাম। এখন যদি আমার পড়াকৃত বইয়ের বাকী অংশটুকু পড়লে বইটা তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যাবে। তাই আর দেরী না করেই বইয়ের PDF File ওপেন করে নিলাম। আর সার্চ অপশনে ক্লিক করেই, বইয়ের পেইজ নম্বর দিয়ে সার্চ করলাম। সাথে সাথে চলে আসলো আমার কাঙ্ক্ষিত পড়া। পাড়া শুরু করে দিলাম। কেন নারীরা পুরুষদের তুলনায় অধিকহারে জাহান্নামে যাবে? হাদীসে এ সম্পর্কে এসেছে: আব্দুল্লাহ ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, «يَا مَعْشَرَ النِّسَاءِ، تَصَدَّقْنَ وَأَكْثِرْنَ الِاسْتِغْفَارَ، فَإِنِّي رَأَيْتُكُنَّ أَكْثَرَ أَهْلِ النَّارِ» فَقَالَتِ امْرَأَةٌ مِنْهُنَّ جَزْلَةٌ: وَمَا لَنَا يَا رَسُولَ اللهِ أَكْثَرُ أَهْلِ النَّارِ؟ قَالَ: «تُكْثِرْنَ اللَّعْنَ، وَتَكْفُرْنَ الْعَشِيرَ» “হে নারীগণ! তোমরা দান-সদকা করো। বেশি বেশি করে আল্লাহ তা‘আলার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। কেননা আমি জাহান্নামে তোমাদের অধিকহারে দেখেছি। এ কথা শোনার পর উপস্থিত মহিলাদের মধ্য থেকে একজন (যার নাম ছিল জাযলা) প্রশ্ন করলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাদের কেন এ অবস্থা? কেন জাহান্নামে আমরা বেশি সংখ্যায় যাবো? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তোমরা স্বামীর প্রতি বেশি অকৃতজ্ঞ ও অভিশাপ দাও বেশি”।[1] বলতে খারাপ শুনালেও আসলে আমাদের সমাজের নারীদের বাস্তব চিত্র এ রকমই যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন। আমি দাম্পত্য জীবনে অনেক সুখী নারীকে দেখেছি তারা স্বামীর প্রতি অনেক সময় চরম অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে থাকে। অনেক সময় সামান্য বিরক্ত হলে নিজ সন্তানদেরও অভিশাপ দেয়। নারীদের জাহান্নাম থেকে বাঁচার জন্য এ দুটো স্বভাব পরিহার করতে হবে অবশ্যই। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বলার উদ্দেশ্য এটাই। তিনি নারীদের স্বভাব সংশোধন করার জন্যই এ কথা বলেছেন। নারীদের খাটো করা বা তাদের ভূমিকা অবমুল্যায়নের জন্য বলেন নি। [1] সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৭৯। এবং রাসুল সাঃ মি'রাজে গিয়ে জাহান্নাম অবলোকন করার সময় দেখলেন। ভয়ংকর এক দৃশ্য! রাসূল ﷺ বলেছেনঃ আমি জাহান্নামের প্রবেশ দ্বারে দাঁড়ালাম এবং দেখতে পেলাম যে, অধিকাংশই নারী। 💔 (বুখারী-হাঃ ৫১৯৬) আল্লাহুম্মাগ-ফিরলি এতটুকু পড়ে, ভাবতে লাগলাম আমার ওস্তাদ মাওলানা ইনামুল হাসান দাঃবাঃ একটা কথা বলেতন,যে একটা নারী পারে পুরা আলমকে ধ্বংস করতে। তাই নারীদের বাগাড়ম্বর দৃষ্টি এবং ধূর্ততা থেকে নিজেকে হিফাজত রাখবে। কিন্তু কি! এখন যে এখানে হাঁটছি তাও তো নারী ফিতনা থেকে মুক্ত নই। বে-ফর্দা হয়ে জনমেনে হাটা চলার মাঝে নিজেকে কত আর বাচানো সম্ভব। এ গুনাহ যদি আল্লাহ মাফ না করেন। তাহলে জান্নাত তো পাওয়া দূরে থাক জান্নাতের গ্রাণ ও পাবো না। এই দিন একটা ইংরেজি নিউজে দেখলাম Mexican city legalises sex in public (Independent) কিন্তু Unfortunately আমার রাসুল সাঃ এর হদীসটি আমার মনের জানালা দিয়ে উকি মারলো। একদিন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, "কিয়ামত ততক্ষণ পর্যন্ত সঙ্ঘটিত হবে না, যতক্ষণ না লোকেরা রাস্তাঘাটে গাধার মতো সঙ্গমে লিপ্ত হবে।" সেখানে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল্লাহ ইবনু আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু। তিনি কোনোভাবে বিশ্বাস করতে পারছিলেন না, এটা কীভাবে সম্ভব। বিস্ময়ে হতবাক হয়ে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, "ইয়া রাসূলাল্লাহ! সত্যিই এটা ঘটবে?" রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জবাব দিলেন, "হ্যাঁ, এরকম সত্যিই ঘটবে।" সূত্র : সহিহ ইবনু হিব্বান: ৬৭৬৭ জীবন কথা লেখনিতে: মোঃ সাইফুল ইসলাম writer: SAIFUL ISLAM OFFICIAL

Comments

Popular posts from this blog

উত্তর লামছি মানব কল্যাণ যুব সংগঠন এর যুবসমাজের অবক্ষয়ের কারণ ও প্রতিকার নিয়ে এক সভা। ব্যানার

SAIFUL ISLAM OFFICIAL .biography